২৪ মাস থেকে ২ মাস, এই সেলেব দম্পতিদের স্বল্পস্থায়ী বিবাহিত জীবনের গল্প

Home জলসাঘর ২৪ মাস থেকে ২ মাস, এই সেলেব দম্পতিদের স্বল্পস্থায়ী বিবাহিত জীবনের গল্প
২৪ মাস থেকে ২ মাস, এই সেলেব দম্পতিদের স্বল্পস্থায়ী বিবাহিত জীবনের গল্প

বঙ্গভূমি লাইভ ডেস্ক: বিয়ে মানেই একসাথে পথ চলার সারাজীবনের অঙ্গীকার। তবে সেই দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে অনেক দম্পতিই পিছিয়ে যান বা হাল ছেড়ে দেন। আজ আমরা জানাবো এমন কিছু সেলেব দম্পতিদের কাহিনী যাদের বিবাহিত জীবনের রসায়ন সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়েছে।

১. কিশোর কুমার-যোগিতা বালি: সঙ্গীত জগতের তারকা কিশোর কুমারের একাধিক বৈবাহিক সম্পর্কের কাহিনী রয়েছে। যোগিতা বালি তাঁর তৃতীয় স্ত্রী। ১৯৭৬ সালে তাঁরা বিয়ে করেন। তার ২ বছর পরেই তাঁরা বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন। এর কারণ হিসাবে বলা হয় যে সেই সময়ে যোগিতা নায়ক মিঠুন চক্রবর্তীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিলেন।

২. মল্লিকা শেরওয়াত-করণ সিং গিল: যদিও ‘মার্ডার’ ফেম মল্লিকা কোনওদিন স্বীকার করেননি যে তিনি বিবাহিত কিন্ত এমন কিছু ছবি পাওয়া গেছে যেখানে তাঁকে বিয়ের মণ্ডপে দেখা গিয়েছে। বলা হয় তিনি যাঁকে বিয়ে করেন সেই ব্যক্তি একজন পাইলট। কিন্তু কেন তাঁদের বিয়ে টিকলো না, সেই উত্তর নেই কারুর কাছেই। মাত্র ১২ মাসেই ভেঙে যায় বিয়ে।

৩. দিব্যা ভারতী-সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা: প্রতিষ্ঠিত পরিচালক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা সুন্দরী অভিনেত্রী দিব্যা ভারতীর প্রেমে পড়েন ‘শোলা অউর শবনম’ সিনেমার সেটে। ১৯৯২ সালে তাঁরা বিয়ে করেন। যদিও বিয়ের এক বছর ঘুরতে না ঘুরতেই দিব্যা ভারতী নাকি তাঁর আবাসন থেকে পড়ে যান এবং মৃত্যু হয় তাঁর। তবে এই মৃত্যু অজান্তেই না পরিকল্পিত নাকি আত্মহত্যা তা নিয়ে তর্কের অবসান হয়নি। বিয়ের পর মাত্র ১১ মাসের মাথাতেই আলাদা হয়ে যান এই যুগল।

৪. করণ সিং গ্রোভার-জেনিফার উইঙ্গেট: ‘দিল মিল গয়ে’ সিরিয়াল থেকে পরিচয় ও দ্রুত প্রেমের সম্পর্কে বাঁধা পড়েন এই জুটি। ২০১২ সালে বিয়ে সারেন তাঁরা।তবে শেষমেশ টিকলো না সেই বিয়ে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে মনে করা হয় করণের সঙ্গে তাঁর সিনেমা ‘অ্যালোন’-এর অভিনেত্রী বিপাশা বসুর ঘনিষ্ঠতা। ২ বছর পরেই আলাদা হয়ে যান করণ-জেনিফার। এরপরে ২০১৬ সালে বিপাশাকেই বিয়ে করেন করণ।

৫. মনীষা কৈরালা-সম্রাট দাহাল: ব্যবসায়ী সম্রাট দাহালের সঙ্গে অভিনেত্রী মনীষা কৈরালার বিয়ের বয়স মাত্র ২ বছর পেরোতেই দুজনে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ২০১০ সালে বিয়ে হয় তাঁদের এবং ২০১২ সালেই ডিভোর্স নেন তাঁরা। মূলত পারস্পরিক বিবাদ এতটাই খারাপ রূপ নেয় যে মনীষা বাধ্য হয়ে তাঁর বন্ধুদের আছে স্বীকার করেন যে তিনি এই বিয়ে টেনে নিয়ে যেতে পারছেন না। এমনকী মনীষা সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বীকারও করেন যে তাঁর স্বামীই তাঁর সবচেয়ে বড়ো শত্রু।

Leave a Reply

Your email address will not be published.