ব্যবসায়ীর বাড়িতে কুবেরের ধন! টাকার পাহাড় থেকে গোণা হয়েছে নিমিত্তমাত্র ১৫০ কোটির নোট

Home Uncategorized ব্যবসায়ীর বাড়িতে কুবেরের ধন! টাকার পাহাড় থেকে গোণা হয়েছে নিমিত্তমাত্র ১৫০ কোটির নোট
ব্যবসায়ীর বাড়িতে কুবেরের ধন! টাকার পাহাড় থেকে গোণা হয়েছে নিমিত্তমাত্র ১৫০ কোটির নোট

বঙ্গভূমি লাইভ ডেস্ক: টাকার পাহাড় বলতে নস্ট্যালজিক বাঙালির চোখের সামনে ভেসে ওঠে সত্যজিৎ রায়ের ‘নায়ক’ ছবির সেই কালজয়ী দৃশ্য। মনে পড়ে ‘নায়ক’ এর সেই স্বপ্নদৃশ্য। যেখানে টাকার পাহাড়ের মধ্যে ডুবে যাচ্ছেন নায়ক অরিন্দম মুখোপাধ্যায় ওরফে উত্তম কুমার।

সেরকমই এক টাকার পাহাড়ের সন্ধান মিলল কানপুরে। আয়কর দপ্তরের হানায়,এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে মিলল গুপ্তধন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৫০ কোটি পর্যন্ত নোট গুণতে পেরেছেন আয়কর অফিসাররা। যা উদ্ধার হওয়া গোপন সম্পত্তির নিমিত্ত মাত্র।

পীযূষ জৈন নামে কানপুরের এই ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়ে গোপন বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ পায় আয়কর বিভাগ। একই সঙ্গে তল্লাশি চালানো হয়েছে পীযূষের মালিকানাধীন একাধিক সংস্থায়। কানপুরের আয়কর বিভাগ যে ছবি দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, আধিকারিকেরা মাটিতে নোটের স্তূপের মধ্যে বসে মেশিনের সাহায্যে টাকা গুনছেন।

অন্য একটি ছবিতে দেখা যায়, পীযূষের বাড়ির আলমারি ভর্তি টাকা। যে নোট রাখা হয়েছে ছোটছোট বাক্সে। হলুদ টেপ দিয়ে যে বাক্সের মুখ বন্ধ করা। আয়কর দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ১৫০ কোটি টাকার নোট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে গোণার কাজ এখনও শেষ হয়নি। কানপুরের সঙ্গে পীযূষের মুম্বই অফিসেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

পীযূষের মূল ব্যবসা ছিল সুগন্ধী দ্রব্যের। ধীরে ধীরে ব্যবসা বেড়েছে।এখন একাধিক কোল্ড স্টোর আর পেট্রল পাম্পেরও মালিক পীযূষ জৈন। সঙ্গে রয়েছে মুম্বইয়ের একটি শো-রুম। কানপুরে আয়কর দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে মুম্বইয়ের আধিকারিকেরাও যোগ দেন এই তল্লাশিতে।

কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগেই আয়কর বিভাগের আধিকারিকেরা তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। আধিকারিকেরা জানান, ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ভুয়ো ইনভয়েস দিয়ে জিনিস পাঠানো বা ই-ওয়ে বিল ছাড়া জিনিস পাঠানোর অভিযোগ উঠেছিল। ভুয়ো সংস্থার নামেও ইনভয়েস তৈরি করার অভিযোগ ছিল। ৫০ হাজার টাকার ২০০টি এমন ভুয়ো ইনভয়েস পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ পীযূষের সংস্থার বিরুদ্ধে। সেই সূত্র ধরেই, আয়কর বিভাগের আধিকারিকেরা প্রথমে আনন্দপুরীত পীযূষের বাড়িতে তল্লাশি চালান। সেখানেই উদ্ধার হয় ১৫০ কোটির নোট। এরপর সরকারি আধিকারিকরা এক এক করে খুলতে থাকেন টাকার খনির গুপ্ত দরজা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.