রাজ্যে ‘ওমিক্রন’ স্বস্তি! আক্রান্ত ৭ বছরের বালক কোভিডমুক্ত, হাসপাতালের রিপোর্টে ‘নেগেটিভ’

Home রাজ্য রাজ্যে ‘ওমিক্রন’ স্বস্তি! আক্রান্ত ৭ বছরের বালক কোভিডমুক্ত, হাসপাতালের রিপোর্টে ‘নেগেটিভ’
রাজ্যে ‘ওমিক্রন’ স্বস্তি! আক্রান্ত ৭ বছরের বালক কোভিডমুক্ত, হাসপাতালের রিপোর্টে ‘নেগেটিভ’

বঙ্গভূমি লাইভ ডেস্ক: রাজ্যের জন্য স্বস্তির খবর। একদিনের মধ্যেই ‘ওমিক্রন’ আক্রান্ত মুর্শিদাবাদের শিশুর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট এল ‘নেগেটিভ’। ৭ বছরের বালকের পরিবারের বাকি সদস্যদের কোভিড-১৯ রিপোর্টও ‘নেগেটিভ’ বলেই জানা গিয়েছে। এই খবর জানিয়েছেন মালদহের মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক পাপড়ি নায়েক। তাঁদের শারীরিক অবস্থাও স্থিতিশীল। মালদহ মেডিক্যাল কলেজ থেকে তাঁদের বাড়িতে ফেরত পাঠানো হচ্ছে বলেই খবর।

উল্লেখ করা যায় গত সপ্তাহেই পরিবারের সঙ্গে আবু ধাবি থেকে দেশে ফিরেছিল শিশুটি। পরিবারটি প্রথমে নামে হায়দরাবাদ। সেখান থেকে বিমানে চেপে কলকাতায় ফেরেন তাঁরা। এরপর তাঁরা গাড়ি করে রওনা দেয় মুর্শিদাবাদে বাড়ির দিকে। এদিকে বুধবারই তেলেঙ্গানার স্বাস্থ্য দপ্তরের হাতে আসে, কোভিড পজিটিভ শিশুটির জিনোম সিক্যুয়েন্সিং রিপোর্ট। দেখা যায় শিশুটি ওমিক্রন আক্রান্ত। মাথা চাড়া দেয় আতঙ্ক। এর পরই গতকাল মালদহের কালিয়াচকের বালিয়াডাঙার মামাবাড়িতে  শিশু ও তার পরিবারের ছয়জনের নমুনা সংগ্রহ করে স্বাস্থ্যদপ্তর। মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তারপরই জানা যায় ৭ বছরের বালক কোভিডমুক্ত।

মালদহের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক পাপড়ি নায়েক জানিয়েছেন, ‘প্রত্যেকেরই নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ হয়েছে। আপাতত ওই শিশু, তার বাবা ও দিদি মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রয়েছেন। রাজ্যের নির্দেশ পেলে মালদা মেডিক্যাল কলেজ থেকে তাঁদের বাড়ি ফেরত পাঠানো হবে। তবে আরও কিছুদিন বাড়িতেই আইসোলেশন থাকবেন ওই পরিবার।’বুধবার দুপুরেই শিশুটির বাবা ও দিদিকে ভরতি করা হয় মালদহ মেডিক্যালের কোভিড ওয়ার্ডে।  পরিবারের বাকি যারা ওমিক্রন আক্রান্ত খুদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের সকলেরও করোনা পরীক্ষা করা হয়। আশঙ্কা করা হয়, খুদের পরিবারের ওই দুই সদস্যও করোনা আক্রান্ত হতে পারেন।

পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ ও মালদহের আত্মীয়-পরিজন , পাড়া প্রতিবেশীদের মধ্যে কারা কারা আবুধাবি ফেরত পরিবারটির সংস্পর্শে এসেছেন তাঁদের তালিকা তৈরি এবং নমুনা সংগ্রহের কাজও চলছে। সেই নমুনাগুলো পরীক্ষার পরে আরও কেউ নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

গত ১০ ডিসেম্বর মধ্যরাতে, আবু ধাবি থেকে বিমানে হায়দরাবাদে নেমেছিল শিশুটির পরিবার। সেখানে আরটি পিসিআর পরীক্ষার জন্য শিশুটির লালারস সংগ্রহ করা হয়। বিদেশ থেকে আসায় জিনোম সিক্যুয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয় লালারস। আরটি পিসিআরের ফলাফলে জানা যায়, শিশুটি কোভিড পজিটিভ। আর বুধবারই জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের রিপোর্টে জানা যায় শিশুটি ওমিক্রন ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত। ইতিমধ্যেই খুদের সঙ্গে একই বিমানে ফিরেছেন এমন ৩৭ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে। তাঁদের মধ্যে ২৭ জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ১৬ জন বাংলার।

Leave a Reply

Your email address will not be published.