বিয়েবাড়িতে ২০০জন, খোলা জায়গায় মেলায় ছাড়, রাজ্যে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত কোভিড বিধি জারি

Home কলকাতা বিয়েবাড়িতে ২০০জন, খোলা জায়গায় মেলায় ছাড়, রাজ্যে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত কোভিড বিধি জারি
বিয়েবাড়িতে ২০০জন, খোলা জায়গায় মেলায় ছাড়, রাজ্যে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত কোভিড বিধি জারি

বিয়েবাড়িতে ২০০জন, খোলা জায়গায় মেলায় ছাড়, রাজ্যে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত কোভিড বিধি জারি

বঙ্গভূমি লাইভ ডেস্ক: করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের দাপটে, রাজ্যে আরও ১৫ দিনের জন্য বাড়িয়ে দেওয়া হল কোভিড বিধিনিষেধের মেয়াদ। এর আগে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত কড়া নিয়ম চালু ছিল। এবার তা বাড়িয়ে দেওয়া হল ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। তবে এ বার বিয়েবাড়ি এবং মেলা আয়োজনের ক্ষেত্রে নিয়ম কিছুটা শিথিল করা হলেও, লোকালের ক্ষেত্রে সময়ের কোনও হেরফের করা হয়নি। আপাতত শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ১০ টায়।

নবান্নের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিয়েবাড়ি সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে একসঙ্গে সর্বাধিক ২০০ জন বা অনুষ্ঠান হলের মোট আসন সংখ্যার অর্ধেক বা সংখ্যার তারতম্যে দু’টির মধ্যে যে ক্ষেত্রে কম, সেই সংখ্যক মানুষ উপস্থিত থাকতে পারবেন।

অন্যদিকে খোলা আকাশের নিচে মেলা করা যাবে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে কঠোর ভাবে করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে।

নতুন কোভিড নির্দেশিকা অনুযায়ী –

গঙ্গাসাগরের পর এবার রাজ্যে অন্য মেলাতেও ছাড়

সঠিক করোনা বিধি মেনে খোলা জায়গায় করা যাবে মেলা 

বিয়ের অনুষ্ঠানেও ২০০ জনের উপস্থিতিতে সবুজ সঙ্কেত

২০০ জন অথবা অনুষ্ঠান গৃহের ৫০ শতাংশ উপস্থিতিতে ছাড়

উল্লেখ্য করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের জেরে গত ২ জানুয়ারি মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী রাজ্যে নতুন করে করোনা বিধিনিষেধ জারি করেন। তিনি সেদিন ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সমস্ত স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকার কথা ঘোষণা করেন। অর্ধেক হাজিরা নিয়ে চলবে সরকারি অফিস। সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে জিম, সুইমিং পুল, সেলুন। কিন্তু পরবর্তী ক্ষেত্রে অবশ্য অর্ধেক ক্রেতা নিয়ে সেলুন খোলার নির্দেশ দেয় রাজ্য সরকার। তেমনই লোকাল ট্রেন চালানো নিয়েও পরিবর্তন হয় রাজ্যের নির্দেশিকা। প্রথমে সন্ধে ৭টায় লোকাল ট্রেন বন্ধ করার কথা বলা হলেও পরে যাত্রীদের দাবি মেনে তা বাড়িয়ে রাত ১০টা করা হয়।

রাজ্যে ক্রমশ সংক্রমণ বাড়তে থাকায় মেলা আয়োজনে ছাড় দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কারণ ইতিমধ্যেই গঙ্গাসাগর মেলায় অসচেতনতার ছবি ধরা পড়েছে। স্বাস্থ্য বিধি শিকেয় তুলে শনিবারও গঙ্গাসাগরে পূন্যস্নানের জন্য মানুষের ঢল নেমেছে।

অন্যদিকে, রাজ্যে করোনার বাড়বাড়ন্তে, রাজ্য সরকারের সায় নিয়েই পিছিয়ে দেওয়া হল চার পুর নিগমের ভোটগ্রহণ পর্ব। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে জানান হয়েছে, ক্রমশ করোনা ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের কারণে ৩ সপ্তাহ পিছিয়ে ২২ জানুয়ারির বদলে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট নেওয়া হবে। ১৫ ফেব্রুয়ারি হবে ভোটের ফলপ্রকাশ।

এছাড়াও মহানগরীতে করোনা সংক্রমণের হার বিপজ্জনক মাত্রা নেওয়ায়,কলকাতা পুর এলাকায় কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা ২৯ থেকে বাড়িয়ে ৪৪ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র লেক থানা এলাকাতেই নতুন করে ৬টি কনটেনমেন্ট জোন তৈরি হয়েছে। এদিন পুলিস দক্ষিণ কলকাতার এই এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.