প্রকাশ্যে পুতিনের `সিক্রেট’ কন্যা (secret daughter), তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

Home বিদেশ-বিভূঁই প্রকাশ্যে পুতিনের `সিক্রেট’ কন্যা (secret daughter), তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া
প্রকাশ্যে পুতিনের `সিক্রেট’ কন্যা (secret daughter), তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

বঙ্গভূমি লাইভ ডেস্ক: প্রকাশ্যে পুতিনের (putin) গোপন কন্যা (secret daughter)। স্ত্রীর চরিত্র যাচাই করতে একসময় বন্ধুকে পাঠিয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তাঁর জীবনে একাধিক রহস্য রয়েছে। এবার রহস্য গোপন কন্যাকে (secret daughter) নিয়ে। সম্প্রতি কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের শিরোনামে উঠে এসেছেন ১৮ বছরের এক তরুণী। নেটিজেনদের ক্ষোভ লুইজা রোজোভা নামক ওই অষ্টাদশী নাকি পুতিন ও তাঁর প্রেমিকার সন্তান। আর এরপরেই তোপের মুখে পড়েছেন লুইজা। তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্টে একের এক এক কমেন্টের বন্যা। একজন লিখেছেন, কোনও বাঙ্কারে ইঁদুরের মতো লুকিয়ে রয়েছ বুঝি? অপর এক নেটিজেন সরাসরি তোপ দেগে বলেছেন, যখন ইউক্রেনে এত মানুষ মারা যাচ্ছে তখন কীভাবে আরামে জীবন যাপন করছেন আপনি?

উল্লেখ্য, লুইজা রোজোভার মায়ের উল্কা উত্থান অনেকেরই চোখ কপালে তুলেছিল। জানা যায়, তাঁর মা স্বেতলানা ক্রিভোনোগিখ পেশায় একজন ঝাড়ুদার ছিলেন। কিন্তু, এরপরেই রাশিয়ার একটি ব্যঙ্কের মালিকানা চলেছে আসে তাঁর হাতে।
গরীব থেকে রাতারাতি কয়েক মিলিয়নের মালিক হয়ে যান তিনি। তবে তাঁর মেয়ে (secret daughter) যে পুতিন (putin) এবং তাঁর সম্পর্কের থেকে প্রাপ্ত উপহার তা অবশ্য প্রকাশ্যে কখনও তিনি স্বীকার করেননি। কিন্তু, বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না নেটিজেনরা। তাঁরা তাঁকে খুনীর সন্তান বলে তোপ দাগছেন। এদিকে ওই তরুণী অত্যন্ত সুন্দরী। তাঁর ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার সংখ্যা নেহাত কম নয়। তাঁর মা বর্তমানে একটি বিলাসবহুল অট্টালিকার মালিক। এতদিন পর্যন্ত যে নেটিজেনরা তাঁর রূপের প্রশংসা করে ক্ষান্ত হত না, তাঁরাই এখন কর্কশ স্বরে তোপ দেগেছে। যদিও এই তরুণী কোনও পোস্টেরই জবাব দেননি।

পুতিন (putin) ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার আগেই নিজের পরিবারকে সাইবেরিয়ার একটি বিলাসবহুল গোপন বাঙ্কারে সরিয়ে ফেলেছিলেন বলে সূত্রে খবর। রাশিয়ার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ভ্যালেরি সলোভে দাবি করেছেন, পুতিনের পরিবার যে বাঙ্কারে রয়েছে তা পরমাণু হামলা থেকে সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্রনায়কের ব্যক্তিগত জীবন চলচ্চিত্র জগতের কোনও স্ক্রিপের থেকে কম নয়। তিনি দীর্ঘদিন ‘স্পাই’ হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁর জীবনে বহু রঙিন অধ্যায় রয়েছে। নিজের বর্তমান স্ত্রীকেও একসময় বিশ্বাস করে উঠতে পারেননি পুতিন। তাঁর চরিত্র পরীক্ষা করার জন্য পাঠিয়েছিলেন এক বন্ধুকে। পুতিন (putin) ঘরনি অবশ্য সব পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

গোটা পৃথিবীর সমালোচনার মুখে পড়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (putin) । ইউক্রেনের উপর হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। আর সেই যুদ্ধে প্রতিদিন বহু মানুষের মৃত্যুও ঘটছে। বাস্তবে ব্যক্তিগত জীবনেও কম বিতর্কে পড়তে হয়নি পুতিনকে। শোনা যায়, স্ত্রীর চরিত্র যাচাই করতে একসময় নিজের বন্ধুকেও পাঠিয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। তাঁর জীবনে একাধিক রহস্য রয়েছে। তারই মধ্যে এক রহস্যের নাম লুইজা রোজোভা। ১৮ বছরের ওই তরুণী নাকি পুতিন ও তাঁর প্রেমিকার সন্তান অর্থাৎ গোপন কন্যা (secret daughter)। আর সেই তথ্য ফের একবার প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আক্রমণের মুখে পড়েছেন লুইজা মানে সেই গোপন কন্যা (secret daughter) । ইউক্রেনে আক্রমণের জেরে এখন পুতিন কন্যাকে নিয়েও আলোড়ন পড়েছে নেটদুনিয়ায়।

আলতাই পর্বতমালার কাছে কোনও একটি জায়গায় উচ্চপ্রযুক্তি সম্পন্ন বাঙ্কারে রাখা হয়েছে প্রেসিডেন্টের পরিবারকে— এমনটাই দাবি করেছেন রাশিয়ারই রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ভ্যালেরি সলোভের।

তিনি জানিয়েছেন, বিলাসবহুল যে বাঙ্কারে পুতিনের (putin) পরিবারকে রাখা হয়েছে, সেটি পরমাণু হামলা থেকে সুরক্ষিত। অর্থাৎ যদি পরমাণু হামলা হয় তবে ওই বাঙ্কারের ক্ষতির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই তিনি জানিয়েছেন। সেখানে তাঁর গোপন কন্যা (secret daughter) আছেন কিনা, তা অজানা।

কিন্তু কেন হঠাৎ রাশিয়ায় বসে পুতিনের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অধ্যাপক ভ্যালেরি সালোভে? এমনটা নতুন নয়। এর আগেও তিনি পুতিনের শরীরিক ও মানসিক সমস্যা নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেন, রাশিয়ার জনগণকে লুকিয়ে নিজের চিকিৎসা করাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সের্গেই শোইগু-র সঙ্গে বিভিন্ন গোপন আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বলে নেটমাধ্যমে এক ভিডিয়ো বার্তায় দাবি করেন।

মস্কোর আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইনস্টিটিউট (এমজিআইএমও)-এর প্রাক্তন অধ্যাপক ভ্যালেরি সালোভে। যে ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণ নিতে আসেন ভষিষ্যতের সরকারি গুপ্তচর এবং শীর্ষ কূটনীতিকরা। পুতিনের শারীরিক সমস্যা সংক্রান্ত মন্তব্যের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। কয়েক মাস আগে অধ্যাপকের বাড়িতে তল্লাশিও চালানো হয়। কিভে রাশিয়ার হামলার পরই নেটমাধ্যমে ফের এক ভিডিয়ো বার্তায় এই দাবি করেছেন ভ্যালেরি সালোভে।

পুতিন রুশ অর্থোডক্স গির্জার সদস্য। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত পুতিন। ২৮ জুলাই, ১৯৮৩ তারিখে কালিনিনগ্রাদে জন্মগ্রহণকারী বিমানবালাকে বিয়ে করেন। তাঁদের সংসারে মারিয়া পুতিনা ও ইয়েকাতেরিনা পুতিনা নাম্নী দুই কন্যা রয়েছে। ১৯৮৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত উভয়ে জার্মানিতে বসবাস করেন। বিএনডি সংগ্রহশালার তথ্য মোতাবেক জানা যায় যে, পুতিনের এক জার্মান গোয়েন্দা বন্ধু ছিল ও প্রণয় আসক্তির ফলে পুতিন তাকে পিটান। ১৯৯০ সালে জার্মান ত্যাগের পর গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে পুতিন অবৈধ সন্তানকে ফেলে গেছেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.